Apple MacBook Pro MPXV2LL/A, 13in Retina, 3.1GHz Intel Core i5 Dual Core, 16GB RAM, 512GB SSD, Space Gray (Renewed)
| Price: | $899.94$899.9 |
| Capacity: 16GB Ram | 512GB SSD Space Gray The product works and looks like new. Backed by the 90-day Amazon Renewed Guarantee.-This pre-owned product is not Apple certified but has been professionally inspected, tested, and cleaned by Amazon-qualified suppliers. -There will be no visible cosmetic imperfections when held at an arm’s length. -This product will have a battery that exceeds 80% capacity relative to new. -Accessories will not be original but will be compatible and fully functional. The product may come in a generic Box. -This product is eligible for a replacement or refund within 90 days of receipt if you are not satisfied. See terms here.
|
About this item
|
| Apple MacBook Pro MPXV2LL/A, 13in Retina, 3.1GHz Intel Core i5 Dual Core, 16GB RAM, 512GB SSD, Space Gray (Renewed) |
জ্বর, সর্দি-কাশি হলেই প্যারাসিটামল খাওয়ার অভ্যাস? সাবধান! হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায় এই ওষুধ
সর্দি-কাশি, মাথা ব্যথা, জ্বর, গায়ে হাতে ব্যথা হলেই প্যারাসিটামল খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে অনেকেরই। নিমেষেই শারীরিক স্বস্তি প্রদান করতে পরিচিত এই ওষুধ। কিন্তু সম্প্রতি একটি গবেষণায় জানা গেছে, এই ওষুধটি একটানা খেলে রক্তচাপ বাড়ে। ফলে বেড়ে যায় হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি। তাই গবেষকরা জানিয়েছেন, রক্তচাপ কিংবা হার্টের রোগীদের প্যারাসিটামল দেওয়ার আগে সাবধান হতে হবে চিকিৎসকদের।
সম্প্রতি স্কটল্যান্ডের এডিনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞরা ১১০ জন উচ্চ রক্তচাপের রোগীর উপর প্যারাসিটামল নিয়ে একটি ট্রায়াল চালান। তাদেরকে দুই সপ্তাহ ১ গ্রাম করে প্রতিদিন চারবার প্যারাসিটামল খাওয়ানো হয়। দেখা যায়, চারদিনের মধ্যেই এই রোগীদের রক্তচাপ লক্ষ্যণীয়ভাবে বেড়ে গিয়েছে। যা প্রায় ২০ শতাংশ বাড়িয়ে দিয়েছে স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা।ব্রিটেনে প্রতি ১০ জনের মধ্যে একজনকে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার জন্য প্রতিদিন প্যারাসিটামল দেওয়া হয়। যেখানে প্রতি তিনজনের মধ্যে একজন উচ্চ রক্তচাপে ভোগেন। এডিনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ডেভিড ওয়েব জানিয়েছেন, আইবুপ্রোফেন-এর মতো ওষুধ রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়, এই ধারণার উপর ভিত্তি করেই চিকিৎসকরা রোগীদের প্যারাসিটামল খাওয়ার পরামর্শ দেন। এটাই নিরাপদ বিকল্প বলে সবসময় ভাবা হয়। কিন্তু এবার প্যারাসিটামলের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়েও ভাবা উচিত। এই ওষুধ কিন্তু হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়। তাই, এবার হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকিতে থাকা রোগীদের প্যারাসিটামলের ব্যবহার বন্ধ করা উচিত। গবেষকদের মতে, দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার জন্য যাদের প্যারাসিটামল প্রয়োজন, তাদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য আলাদা ওষুধ ব্যবহার করা উচিত।
আজকালকার দিনে প্যারাসিটামল খুবই সাধারণ একটি ওষুধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। প্রতিটি মেডিকেল স্টোরেই পাওয়া যায় এই ওষুধ। জ্বর, মাথাব্যথা, গায়ে হাত পায়ে ব্যথা, এরকম বহু উপসর্গ সারাতে সর্বপ্রথমে প্যারাসিটামলের কথাই মাথায় আসে। সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় এই ওষুধ। এমন অনেকেই আছে যারা ব্যথা সইতে না পেরে নিয়মিত প্যারাসিটামল খান। নিরাপদ মনে করেই অনেক চিকিৎসক রক্তচাপের রোগীদেরও প্যারাসিটামল খাওয়ার নিদান দেন। গবেষণা অনুযায়ী, প্যারাসিটামল নিয়মিত সেবনে হার্ট অ্যাটাকের মতো গুরুতর সমস্যা হতে পারে। তাই কথায় কথায় প্যারাসিটামল না খাওয়াই ভালো। এডিনবার্গের গবেষকরা জানিয়েছেন, চোখ বন্ধ করে রোগীকে প্যারাসিটামল লেখার দিন শেষ। কারণ, এই ওষুধেরও রক্তচাপ বাড়িয়ে দেওয়ার মতো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। রোগীদের এই ওষুধ দেওয়ার সময় ডাক্তারদেরও সতর্ক থাকতে হবে।
ডাস্ট অ্যালার্জি কেন হয় এবং এর থেকে প্রতিকারের উপায় কী?

বর্তমানে অ্যালার্জির সমস্যা বেশিরভাগ মানুষের নিত্যদিনের ভোগান্তির একটি অন্যতম কারণ। ধুলাবালিতে অ্যালার্জি, খাবারে অ্যালার্জি এমনকি কোনো কোনো ঔষধেও অ্যালার্জি হয়, যার কারণে জীবন সংশয়ও দেখা দিতে পারে। আছে আরও কত রকমের অ্যালার্জি! বর্তমানে ঘর থেকে বের হলেই ধুলায় ধূসরিত রাস্তায় চলতে হয়। ধুলা খেতে খেতেই ঘর থেকে বের হয় আবার ঘরে ঢোকে মানুষ! তাই অন্য সব অ্যালার্জির তুলনায় ধুলাবালির অ্যালার্জিতেই বেশি ভুগতে হচ্ছে। আজকে আমরা জানবো ডাস্ট অ্যালার্জি নিয়ে।
লক্ষণসমূহ কী কী?
- অনবরত হাঁচি হতে থাকে
- নাক থেকে পানি ঝরতে থাকে
- চোখ চুলকায়, লাল হয়ে যায়
- চোখ থেকে ক্রমাগত পানি ঝরতে থাকে
- নাক বন্ধ হয়ে থাকে
- নাক, মুখ, গলা চুলকাতে পারে
- মুখের ভেতর তালু এবং গলার ভেতরেও চুলকাতে পারে
- খুশখুশে কাশি হয়
- চোখের নিচে ফুলে যেতে পারে
- শিশুদের ক্ষেত্রে বারবার নাক উপরের দিকে ঘষার প্রবণতা দেখা যায়

যদি অ্যালার্জির সাথে সাথে কারো অ্যাজমা বা হাঁপানি রোগও থেকে থাকে, তবে সেক্ষেত্রে উপরে উল্লেখিত লক্ষ্মণসমূহের সাথে সাথে আরও কিছু প্রবলেম দেখা দিতে পারে। যেমন-
- শ্বাসকষ্ট হতে পারে
- বুকে চাপ ধরা ভাব বা ব্যথা থাকতে পারে
- শ্বাস ফেলার সময় বুক থেকে বাঁশির মত বা কখনও কখনও ঘড়ঘড় শব্দ হতে থাকে
- শ্বাস ছোট হয়ে যায়, খুব ঘন ঘন শ্বাস নিতে হয়
- কাশি থাকলে রাতে ঘুমাতেও কষ্ট হয়ে যায়
ডাস্ট অ্যালার্জি যে সমস্ত কারণে হয়ে থাকে
১) পরিবারের কারও আগে থেকে অ্যালার্জির সমস্যা থাকলে বাকি সদস্যদেরও হতে পারে, তবে মনে রাখতে হবে এটি ছোঁয়াচে নয়।
২) অল্প বয়স্ক শিশু, হাঁপানি রোগী এবং গর্ভবতী মহিলাদের এ ধরনের অ্যালার্জি হতে পারে।
৩) ডাস্ট মাইটস বা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ধুলার কণা বা পোকা বাতাসে ভেসে চলাচলের সময় নাকে ঢুকে জ্বালা সৃষ্টি করে। যার ফলে চুলকানি, হাঁচি, কাশি হতে পারে।
৪) ঘাস বা ফুলের রেণু নাকে প্রবেশ করলে তা থেকেও অ্যালার্জিক রিয়েকশন হয়।
৫) আর্দ্র পরিবেশে ডাস্ট মাইটস বেশি থাকে। তাই বাসা বাড়ির পরিবেশ ভ্যাপসা হয়ে থাকলে অ্যালার্জির সমস্যা হতে পারে।

ডাস্ট অ্যালার্জি থেকে প্রতিকারের উপায়
- ঘর থেকে বের হলে সবসময় মাস্ক ব্যবহার করতে হবে
- বাসাবাড়ির ফার্নিচারের ধুলা নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে
- প্রতিদিন ঘুম থেকে ওঠার পর এবং ঘুমানোর আগে বিছানা ভালোভাবে ঝেড়ে নিতে হবে
- ঘর ঝাড় দেবার সময় নাক মুখ যতটা সম্ভব ভালোভাবে ঢেকে নিতে হবে
- প্রতিদিনের ব্যবহার্য কাপড়-চোপড়, চাদর, বালিশ ইত্যাদি মাঝে মাঝে কয়েক ঘন্টা কড়া রোদে দিন
- সপ্তাহে অন্তত একবার বিছানার চাদর, বালিশের কভার পরিবর্তন করতে পারলে ভালো
- শোবার ঘরে বইয়ের তাক, ম্যাগাজিন, খবরের কাগজ না রাখা কেননা এগুলোর ওপর সহজেই ধুলা জমতে পারে
- ডাস্ট অ্যালার্জি থাকলে বাসায় কার্পেট না রাখাই ভালো
- বাসায় লোমশ বা পালকযুক্ত প্রাণী না পোষা উত্তম, এসব প্রাণীর শরীরে অ্যালার্জি উদ্রেক করে এমন উপাদান থাকে
- ঘরে যাতে আলো বাতাস প্রবেশ করতে পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে
এর চিকিৎসা সম্পর্কে জেনে নিন
১) অ্যালার্জির জন্য দায়ী ফ্যাক্টর কোনটি তা সঠিকভাবে নির্ণয় করতে কিছু পরীক্ষার প্রয়োজন। যেমন স্কিন অ্যালার্জি টেস্ট, ব্লাড টেস্ট ইত্যাদি।
২) চুলকানি, অনবরত হাঁচি, চোখ লাল হয়ে যাওয়া বা চোখ থেকে থেকে পানি ঝড়তে থাকলে অ্যান্টি হিস্টামিন জাতীয় ঔষধ খেলে কিছুটা আরাম পাওয়া যায়। রিল্যাক্সড থাকুন, চোখ বন্ধ করে একটু রেস্ট নিন।

৩) স্টেরয়েড জাতীয় নাকের স্প্রে ব্যবহার করে নাকের ভেতরের ফোলাভাব কমানো যায়।
৪) নাক বন্ধ হয়ে থাকলে স্যালাইন সল্যুশন দিয়ে নাক পরিষ্কার করা যায়।
৫) যেকোনো অ্যালার্জির সমস্যা দেখা দিলে ঠিক না হওয়া পর্যন্ত অ্যালার্জি জাতীয় খাবার যেমন বিফ, ইলিশ মাছ, চিংড়ি, পুইশাক, বেগুন ইত্যাদি না খাওয়াই ভালো। এতে অ্যালার্জির সমস্যা আরও বেড়ে যায়।
৬) হঠাৎ ত্বকের কোথাও লাল হয়ে গেলে, চুলকানি হলে ঠাণ্ডা পানির সেঁক দিলে বা ঠাণ্ডা পানি দিয়ে গোসল করলে আরাম পাওয়া যায়।
অ্যালার্জির সমস্যা যে কতটা কষ্টদায়ক এবং বিরক্তিকর, এটা শুধুমাত্র ভুক্তভোগীরাই ভালো বলতে পারবেন। অ্যালার্জির চিকিৎসা করেও এ সমস্যা থেকে একেবারে পরিত্রাণের উপায় নেই। তবে নিয়ম মেনে চললে এবং চিকিৎসকের পরামর্শমতো ঔষধ সেবন করলে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকা সম্ভব। তাই ডাস্ট অ্যালার্জি এর সমস্যা থেকে বাঁচতে বাইরে মাস্ক ব্যবহার করুন, হাইজিন মেনটেইন করুন ও সুস্থ থাকুন।
Oppo Reno6 Price in Bangladesh
Oppo Reno6 at a glance:
- Price:৳32,990 8/128 GB
- Battery: 4310 mAh
- RAM: 8 GB
- Storage: 128 GB
- OS: Android 11
- Screen: 6.4 inches, Full HD+ 1080 x 2400 pixels (411 ppi)
- Processor: Octa core-Qualcomm Snapdragon 720G (8 nm)
- Camera: Quad 64+8+2+2 Megapixel
- Selfie: 44 Megapixel
Oppo Reno6 Price in Bangladesh
| Official price BD | ৳32,990 8/128 GB |
| Unofficial price | N/A |
| International price | N/A |
(Unofficial price may varies shop to shop )
![]() |
Oppo Reno6 Full Specifications
| LAUNCH | |
|---|---|
| Status | ✔ Available |
| Announced | July 27, 2021 |
| NETWORK | |
| Technology | 2G, 3G, 4G |
| Speed | HSPA 42.2/5.76 Mbps, LTE-A |
| GPRS | ✔ |
| EDGE | ✔ |
| BATTERY | |
| Type and Capacity | Lithium-polymer 4310 mAh (non-removable) |
| Fast Charging & Others | 50W VOOC 4.0 Fast Charging, USB Power Delivery 2.0 |
| BODY | |
| Dimensions | 159.1 x 73.3 x 7.8 millimeters |
| Weight | 173 grams |
| Build | Glass front, plastic body |
| Water Resistance | ✖ |
| DISPLAY | |
| Size | 6.4 inches |
| Resolution | Full HD+ 1080 x 2400 pixels (411 ppi) |
| Type | AMOLED Touchscreen |
| Multi-touch | ✔ |
| Protection | – |
| Features | 90Hz refresh rate, 750 nits max. brightness |
| PERFORMANCE | |
| Operating System | Android 11 (ColorOS 11.1) |
| Processor (CPU) | Octa core, up to 2.3 GHz |
| Chipset | Qualcomm Snapdragon 720G (8 nm) |
| Graphics processing unit | Adreno 618 |
| STORAGE | |
| RAM | 8 GB |
| ROM | 128 GB |
| Card slot | Dedicated slot |
| Main CAMERA | |
| Resolution | Quad 64+8+2+2 Megapixel |
| Features | PDAF, LED flash, 1/2.0″, 0.7µm, f/1.7, ultrawide, depth, macro & more |
| Video Recording | Ultra HD (2160p), gyro-EIS (1080p) |
| Selfie CAMERA | |
| Resolution | 44 Megapixel |
| Features | F/2.4, HDR & more |
| Video Recording | Full HD (1080p) |
| SOUND | |
| 3.5mm Jack | ✔ |
| Loudspeaker | ✔ Yes, with stereo speakers |
| Alert types | MP3, Ringtones, Vibration |
| CONNECTIVITY | |
| Bluetooth | ✔ Yes |
| WLAN | ✔ Dual-band, WiFi Direct, Hotspot |
| GPS | ✔ A-GPS |
| NFC | ✔ |
| Infrared port | ✖ |
| Radio | Unspecified |
| USB | ✔ MicroUSB v2.0, USB-on-the-go (OTG) |
| OTG | ✔ |
| USB Type-C | ✔ |
| SIM Card Type | Dual SIM (Nano-SIM, Dual stand-by) |
| FEATURES | |
| Sensors | Fingerprint, Accelerometer, Gyroscope, Proximity, E-Compass |
| Fingerprint | ✔ |
| Face Unlock | ✔ |
| Others | N/A |
| MISC | |
| Manufactured by | Oppo |
| Made in | China |
| Warranty | 1 year service warranty |
| Colors Available | Aurora, Stellar Black |
সুস্থ থাকতে ১০টি নিয়ম মেনে চলুন
সুস্থতা সৃষ্টিকর্তার সবচাইতে বড় নিয়ামতগুলোর মধ্যে একটি। পৃথিবীর প্রত্যেকটি ব্যাক্তিই চায় সুস্থতার সাথে জীবনযাপন করতে। সুস্থতা আমাদের দৈনন্দিন জীবনধারার উপর অনেকাংশেই নির্ভর করে। তাই সুস্থ থাকার জন্য ডাক্তাররা একটি স্বাস্থ্যকর জীবনধারা গড়ে তোলার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কিছু সাধারণ নিয়ম মেনে চললে সুস্থভাবে জীবনযাপন করাটা তেমন কঠিন কিছু নয়।
তাই আজ জেনে নিন, সুস্থ থাকতে যে ১০টি নিয়ম মেনে চলবেন:
১. ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠুন:
বেশিরভাগ গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যে ব্যক্তিরা ভোরে ঘুম থেকে উঠে তাদের সুস্থতার হার বাকিদের তুলনায় কয়েকগুণ বেড়ে যায়। ভোরবেলার আবহাওয়া আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। কারণ এই সময় বাতাসের দূষণ কম থাকে এবং অক্সিজেনের পরিমাণ বেড়ে যায়। এছাড়া সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠলে সারাদিনের কাজের স্পৃহা বেড়ে যায়। ফলে আমাদের শারীরিক প্রক্রিয়াগুলো সম্পন্ন হতে কোনো সমস্যা হয়না।শুধু তাই নয় আমাদের মনকে সুস্থ এবং কর্মক্ষম রাখতে ভোরবেলা ঘুম থেকে ওঠার কোনো বিকল্প নেই। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা তাদের ছাত্র-ছাত্রীদের উপর একটি গবেষণা চালান। যেখানে তারা দেখতে পান, সকালে ওঠা ছাত্রছাত্রীরা বাকিদের তুলনায় অধিক মেধাবী হয়ে থাকে। তাই সুস্থ থাকতে এই অভ্যাসটি আপনাকে অবশ্যই মেনে চলতে হবে।
২. দিনটি শুরু করুন প্রার্থনা দিয়ে:
আমাদের শরীর এবং মনকে সুস্থ রাখতে প্রতিদিন সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করাটাও খুব জরুরি। দিনের শুরুটা প্রার্থনা দিয়ে করলে আমাদের শারীরিক কর্মক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়। এছাড়া প্রার্থনা আমাদের মনকে পবিত্র করে এবং ভালো কাজের প্রতি উৎসাহ বাড়িয়ে দেয়। সৃষ্টিকর্তার কাছে নিয়মিত প্রার্থনা করলে মানসিক বিষন্নতা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। যার ফলে আমাদের শাররীক অনেক রোগবালাই হওয়ার সম্ভাবনাও কমে যায়। মনে রাখবেন এই পৃথিবীটাকে আপনি দেখতে পাচ্ছেন আপনার সৃষ্টিকর্তার অনুগ্রহে। তাই সুস্থতার নিয়ামত চাইতে হলে প্রার্থনার কোনো বিকল্প নেই।৩. ব্যায়াম করুন:
ব্যায়াম আমাদের শরীরের জন্য কতটা উপকারী তা আমরা কমবেশি সবাই জানি। সুস্থ থাকার জন্য ডাক্তাররা স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এর পাশাপাশি ব্যায়াম করার ওপরও গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। সুস্থ থাকতে চাইলে শরীরের একটি আদর্শ ওজন বজায় রাখাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ প্রয়োজনের তুলনায় বেশি অথবা কম ওজন দুটোই আমাদের স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। আর ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যায়াম এর চেয়ে ভাল কোন উপায় নেই। সবচেয়ে ভালো হয় আপনি যদি সকালবেলা হাঁটার অভ্যাস গড়ে তোলেন। তবে অনেকেই সময় স্বল্পতার কারণে সকালবেলা হাঁটতে বের হতে পারেন না। তাই দিনের যেকোনো ভাগে ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট ব্যায়াম করে নিতে পারেন।৪. স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন:
সুস্থ থাকতে হলে আপনাকে একটি স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতেই হবে। মূলত প্রতিদিনকার খাবার থেকে আমাদের শরীর সব ধরনের চাহিদা পূরণ করে থাকে। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় শর্করা এবং প্রোটিনের পাশাপাশি শাকসবজি এবং ফলমূল রাখুন। কারণ শাকসবজি, এবং ফলমূলে থাকা ভিটামিন আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। যতটা সম্ভব বাহিরের অস্বাস্থ্যকর খাবার এবং কোমল পানীয় এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। কারণ বেশিরভাগ রোগবালাই এসব খাবার থেকে হয়ে থাকে। এছাড়া ভারী খাবারের বদলে সহজপাচ্য খাবার গ্রহণ করলে খাবার দ্রুত এবং সহজেই হজম হয়ে যায়। ধুমপান এবং যেকোনো ধরণের মাদকদ্রব্য আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। তাই সুস্থ জীবনযাপনের জন্য এগুলো পরিহার করে চলুন।৫. পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন:
আমাদের দেহের প্রত্যেকটি কোষ, টিস্যু এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে সচল রাখতে পানির ভূমিকা অপরিসীম। পানি আমাদের শরীরে মিনারেলসের চাহিদা পূরণ করে থাকে। দীর্ঘদিন পানিশূন্যতায় ভুগলে লিভারজনিত সমস্যা থেকে শুরু করে আরো জটিল রোগ দেখা দিতে পারে।তাই সুস্থ থাকতে প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা জরুরী। সাধারণত দৈনিক আট থেকে বারো গ্লাস অথবা আড়াই থেকে তিন লিটার পানি পান করাকে আদর্শ মনে করা হয়ে থাকে। তবে একেকজনের শারীরিক চাহিদা একেকরকম। তাই সবচেয়ে ভালো হয় নিজ নিজ শরীরের চাহিদা বুঝে পানি পান করা।
৬. পরিমিত ঘুম:
ঘুমকে আমাদের শরীরের রিকভারি সিস্টেমও বলা হয়ে থাকে। প্রতিদিন আমাদের শরীর থেকে প্রচুর পরিমান ক্যালোরি খরচ হয়ে যায়। যা শুধুমাত্র খাবার দ্বাড়া পূরণ করা সম্ভব হয়না। এছাড়া পরিমিত ঘুম আপনার মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। এতে উচ্চরক্তচাপ, স্ট্রোক, এবং হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকাংশেই কমে যায়। সারাদিনের কাজকর্মের পর আমাদের শরীরের সাথে সাথে আমাদের মস্তিষ্কও ক্লান্ত হয়ে পরে। তবে ঘুমের সময় মস্তিষ্কের এই ঘাটতিগুলো ধীরে ধীরে পূরণ হতে থাকে। তাই দৈনিক সাত থেকে আট ঘন্টা ভালো ঘুম খুবই গুরুত্বপূর্ণ।৭. মানসিকভাবে ভালো থাকুন:
সুস্থ থাকতে হলে নিজেকে হাসিখুশি রাখাটাও বেশ জরুরি। কারণ মনের সাথে শরীর গভীরভাবে সম্পর্কিত। তাই মন ভালো না থাকলে শরীরও অসুস্থ হয়ে পড়ে। নিজেকে মানুসিকভাবে ভালো রাখতে কাজের পাশাপাশি বিনোদনের জন্য সময় বের করে নিন। তবে খেয়াল রাখতে হবে, সবধরনের বিনোদন কিন্তু সুস্থ বিনোদন নয়। সুস্থ বিনোদন বলতে বোঝায় খেলাধুলা, বই পড়া, ভ্রমণ, টিভি অথবা কম্পিউটারে শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান অথবা মুঠোফোনে বুদ্ধিমত্তার খেলা। এছাড়াও পরিবারের সাথে সুন্দর সময় কাটানোও আমাদের সুস্থ থাকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ যেসব বিনোদন আপনার মনকে প্রফুল্ল রাখবে তাকেই সুস্থ বিনোদন বলা যায়।৮. পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকুন:
রোগবালাই থেকে বেচে থাকতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। খাবারের আগে পরে, বাহিরে থেকে আসার পর, যেকোনো কাজ শুরু করার আগে এবং পরে ভালো করে সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে। প্রতিদিনকার ব্যবহৃত কাপড় চোপড় এবং ঘরবাড়ি পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করে রাখতে হবে। তবে সুস্থ থাকতে হলে শুধু নিজেকে এবং ঘরবাড়ি পরিস্কার রাখাটাই যথেষ্ট নয়। ঘরের আশেপাশের জায়গা পরিস্কার রাখাটাও জরুরি। এমনকি রাস্তাঘাট নোংরা না করাটাও একজন সুনাগরিকের নৈতিক দ্বায়িত্ব। এতে তেমন নিজেদের চারপাশ পরিষ্কার থাকবে তেমনি পরিবেশ দূষণের মাত্রাও কমে যাবে।৯. ডিভাইস আসক্তি থেকে দুরে থাকুন:
বর্তমান যুগে বাচ্চা থেকে বয়স্ক সব বয়সের মানুষের হাতে স্মার্টফোন খুব সাধারণ একটি বিষয়। একটি শিশু জন্মানোর পর থেকেই বড় হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের স্মার্ট ডিভাইসের সাথে। বাচ্চাকাচ্চা খেতে না চাইলে অথবা কান্নাকাটি করলেই বাবা মায়েরা হাতে ধরিয়ে দিচ্ছেন স্মার্টফোন। এতে শিশুকাল থেকেই স্মার্ট ডিভাইসের সাথেই অধিকাংশ সময় কাটানোর একটি অভ্যাস গড়ে উঠছে। যা পরবর্তিতে পরিনত হচ্ছে আসক্তিতে। তবে আপনাকে মনে রাখতে হবে স্মার্ট ডিভাইসের অতিরিক্ত ব্যবহার কখনোই আপনার অথবা আপনার শিশুর জন্য কল্যানকর কিছু নয়। বরঞ্চ এতে স্বাস্থ্য ঝুঁকিগুলো দিনকে দিন বাড়তে থাকে। তাই আপনাকে অবশ্যই সময় থাকতে সাবধান হতে হবে।১০. মেডিটেশন এবং যোগব্যায়াম করুন:
নিজেকে সুস্থ রাখতে মেডিটেশন এবং যোগব্যায়ামের উপকারিতা সম্পর্কে বলে শেষ করা যাবে না। নিয়মিত মেডিটেশন করলে আমাদের স্নায়ু শিথিল থাকে এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। আমাদের মনকে নিয়ন্ত্রণ করে যেকোনো কাজের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে মেডিটেশনের কোনো বিকল্প নেই। অপরদিকে যোগব্যায়াম এমন একটি প্রাকৃতিক উপায় যার মাধ্যমে আপনি দীর্ঘদিন সুস্থভাবে জীবনযাপন করতে পারবেন। কারণ যোগব্যায়াম আমাদের শরীরের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে সচল এবং কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করে। তাই সুস্থ থাকতে চাইলে এই দুইটি পন্থা নিয়মিত অনুশীলন করুন।পরিশেষ:
এই ছিলো আজকের আর্টিকেল। সুস্থ থাকতে এই ১০টি নিয়ম মেনে চলুন, আশা করছি এর মাধ্যমে আপনি একটি সুস্থ জীবনযাপন করতে পারবেন।
তবে যেকোনো অসুখ হলে সেটি যতোই সাধারণ হোক না কেনো ডাক্তারের পরামর্শ নিতে দেরী করবেন না।
প্রিয় পাঠক আজকের আর্টিকেলটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে কমেন্ট বক্সে লিখে জানাতে ভুলবেন না কিন্তু।







